কেউ বলে যে আপনি ফিট আছেন এর অর্থ কি?

কেউ বলে যে আপনি ফিট আছেন এর অর্থ কি

সুস্থ শরীর এবং সুস্থ মনের মানুষের মতো সুখী আর কেউ নেই। কেননা আপনার শরীর বা ফিটনেস যদি ঠিক না থাকে তাহলে আপনি যেমন কোন কাজ মনযোগ সহকারে করতে পারবেন না আবার ধরুন সেই কাজ করে সফলতাও পাবেন না। এছাড়াও কেউ কেউ বলে যে আপনি ফিট আছেন এর অর্থ কি?

আপনার শরীর এবং মন যদি সুস্থ না থাকে তাহলে আপনাকে দেখেই অনেকেই বুঝে যাবেন যে কোন একটা সমস্যার ভেতরে দিয়ে আপনি দিন কাটাচ্ছেন। আর তখনই আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে যে আপনি ফিট আছেন কিনা?

আর তাই সুস্থ থাকতে শারীরিক ফিটনেস জরুরি। কিন্তু অনেকেই নিজের শরীরের দিকে তেমন খেয়াল করেন না। আর তাই আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার এখনকার ফিটনেস কোন পর্যায়ে রয়েছে? কিংবা আপনার শরীর পুরোপুরি ফিট আছেন কি না?

    আপনি ফিট আছেন কিনা চেক করার ব্যায়াম ১

    নিজেকে ফিট রাখা আমাদের সকলের নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব। আর আপনি নিজে থেকেই যদি চেক করতে চান যে আপনি ফিট আছেন কিনা তাহলে আপনাকে বেশ কয়েকটা দিকে লক্ষ রাখতে হবে। যেমন ধরুন যে ফিটনেস শুরু হয় আমাদের দেহের বা শরীরের মধ্যাংশ থেকে। অর্থাৎ আমাদের পেটের অবস্থার ওপর এবং এই ফিটনেস পরিমাপের উপায় হলো পেটের ব্যায়াম।

    এই ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনাকে নিজের ফিটনেস চেক করার জন্য টানটান হয়ে শুয়ে পড়তে হবে এবং নিজের পায়ের আঙুল এবং হাত ও কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে বেসিক প্লাঙ্ক দিতে হয়। এতে করে আপনি যদি বেসিক প্লাঙ্কে ৬০ সেকেন্ডের কম থাকেন তাহলে আপনার ফিটনেস এভারেজের নিচে রয়েছে বলে ধরা হবে। এছাড়াও আপনি যদি কনুই ভাঁজ না করে হাত টান করে ৬০ সেকেন্ডের বেশি থাকতে পারেন তাহলে আপনার শরীর পুরোপুরি ফিট আছে বলে মনে করতে পারেন।

    আপনি ফিট আছেন কিনা চেক করার ব্যায়াম ২

    আমরা সকলেই কিন্তু বুকডাউনের সাথে পরিচিত তাইনা? গ্রাম থেকে শুরু করে কিন্তু শহর পর্যন্ত যাকেই জিজ্ঞাসা করা হউক না কেন একথায় সে বুকডাউনের কথা বলে দিতে পারবে। আর এই ব্যায়ামের মাধ্যেমে পজিশন ও মুভমেন্ট খুব সহজ বলে এটা বুকের পেশি বাড়াতে খুব জনপ্রিয় একটি ব্যায়াম হিসাবে আমাদের সকলের কাছে পরিচিত।

    এই ব্যায়ামটি করা জন্য প্রথমে টান হয়ে শুয়ে পড়তে হবে এবার পায়ের আঙুল ও হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে মেঝেতে অবস্থান করতে হবে। এর পরে আপনাকে হাতের কনুই ভাঁজ করে বুক মেঝের এক ইঞ্চি উঠাতে হবে এবং এই পর্যায়ে গিয়ে আপনাকে এক সেকেন্ড অবস্থান করতে হবে। এরপরে আপনাকে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে। আপনি যখন এই প্রক্রিয়ার মাধ্যেমে ব্যায়াম করবে তখন এই পুরো প্রক্রিয়াকে একটি বুকডন  হিসেবে ধরা হবে।

    1. আপনি যদি একবারেই বুকডাউন দিয়ে গিয়ে ১৫টির কম হয় তাহলে ধরে নিতে হবে আপনার ফিটনেস এভারেজের নিচে রয়েছে।
    2. আর আপনি যদি প্রথম বারেই একটানা ৩৬ থেকে ৩৯টি বুকডন দিতে পারেন, তাহলে আপনার ফিটনেস আছে এভারেজ পজিশনে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।
    3. অপরদিকে আপনি যদি ৩০ থেকে ৪৪টি বুকডন দিতে পারেন তাহলে আপনার ফিটনেস এভারেজের ওপরে রয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।
    4. এছাড়াও কেউ যদি ৪৫টির বেশি বুকডন দিতে পারেন তাহলে আপনি পুরোপুরি ফিট আছেন বলে মনে করতে পারেন।

    কেউ বলে যে আপনি ফিট আছেন এর অর্থ কি? 

    আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে যে তুলনামূলক ভাবে অন্যদের চাইতে খাবার বেশি পরিমানের খাবার পরেও তারা খুব একটা ভাল স্বাস্থ্যের অধিকারী নন। অনেকে কোন কাজ করা সময় নিজের শারীরিক শক্তিকে কাজে লাগাতে পারেন না। আপনার ভেতরে যখন এই ধরনের লক্ষণ মানুষজন দেখবে তখন তারা অনেকেই আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন যে আপনি ফিট আছেন কিনা?

    আর আপনার মনে যদি প্রশ্ন জাগে যে কেউ বলে যে আপনি ফিট আছেন এর অর্থ কি? তাহলে আপনাকে প্রথমে আপনার দুর্বলতা সম্পর্কে নিজে নিজেই খুজতে হবে এবং সেটার থেকে কিভাবে মুক্তি পাবেন তাঁর পথ বের করতে হবে। তাহলে আপনার মনে যেই প্রশ্ন রয়েছে যে কেউ বলে যে আপনি ফিট আছেন এর অর্থ কি?

    আপনি চাইলে সেই প্রশ্নের উত্তর নিজেই বের করতে পারবেন এবং সেখান থেকে সমাধান বের করে সেটিকে কাজে লাগাতে পারেন। এতে করে পরবর্তীতে আপনাকে আর কেউ জিজ্ঞাসা করবেনা যে আপনি ফিট আছেন কিনা।

    আজকে তাহলে এই পর্যন্তই রইল আবার কথা হবে পরের কোন আর্টিকেল নিয়ে বা সমাধান নিয়ে। আপনি যদি নতুন নতুন পোস্ট গুলো সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা টুইটারে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন। এতে করে নতুন কোন পোস্ট পাবলিশের সাথে সাথেই নটিফিকেশন পেয়ে যাবেন সবার আগে।

    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    0 মন্তব্যসমূহ