ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করা কেন প্রয়োজন

ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করা কেন প্রয়োজন

আজকে আমরা জেনে নিবো যে ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করা কেন প্রয়োজন? আবার কেনো আমাদের নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করে রাখতে হবে এবং এর প্রয়োজনীয়তায় বা কতোটুকু দৈনন্দিন জীবনে সেই সম্পর্কে।

শরীর চর্চা বা ব্যায়ামের মাধ্যেমে নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। কেননা আমারা জানি যে নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে ফিটনেস ধরে রাখতে যেমন অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করে, তেমনি কিন্তু সঠিক নিয়মে ফিটনেস তৈরী করতেও শারীরিক ক্রিয়াকলাপের গুরুত্ব অপরিশীম।

আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যে যারা কিনা ব্যায়াম করবেন বা শারীরিক চর্চার প্ল্যান মাথায় নেন এবং এরপরেই সেগুলোকে ফলো করার ট্রাই করে থাকেন। তবে আমাদের শরীর চর্চার বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে নিজেদের ফিটনেস পরীক্ষা করে নেওয়া অত্যান্ত প্রয়োজন।

কেননা আমরা যদি আমাদের শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষা না করেই বিভিন্ন ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের মাঝে নিজেদের সংযুক্ত করে ফেলি তাহলে হঠাত করেই কিন্তু আমাদের শরীর সেটাকে নিতে পারবে না। কেননা ধরুন আপনি রেগুলার তিন বেলা ভাত খেয়ে খেয়ে নিজের অভ্যাস গড়ে তুলেছেন, কিন্তু হঠাত করেই যদি আপনাকে একবেলা ভাত খাবার দেওয়া হয় তখন কি হবে?

হঠাত করেই কোন কিছু চাপিয়ে দিলে বা অভ্যাসের পরিবর্তন চাইলে কিন্তু সেটা সঠিকভাবে কাজে লাগবে না বরং অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তাই যেকোন ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করা প্রয়োজন। যেমনঃ

    ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করা বা শারীরিক অবস্থা অনুধাবন করা

    আপনাদের সুবিদ্ধার্থে আমি উপরে বলেছি যে কোন কাজ শুরু করার আগে সেটির সাথে নিজেকে ফিট করাতে পরীক্ষা মূলক ভাবে সেগুলোর চর্চা করা নিয়মিত ভাবে। যেমন ধরুন আপনি যদি প্রতিদিনই ব্যায়াম করার ক্ষেত্রে অভ্যস্ত না হয়ে থাকেন তাহলে একদিনে আপনাকে অতিরিক্ত প্রেসার নেওয়া যাবে না, তবে আপনার সর্বোচ্চ সীমা সম্পর্কে আপনাকে নিজেই ধারণা রাখতে হবে।

    ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের সময় যদি আপনি অস্বস্তি কিংবা কোনো প্রকার ব্যথা অনুভব করে থাকেন, তবে আপনাকে নিজে থেকেই সেখানে থেমে যেতে হবে এবং কিছুটা সময় ধরে বিশ্রাম করে নিতে হবে। অনেকে ব্যথা নিয়েও প্র্যাক্টিস করে থাকেন তাদের উদ্দেশ্য বলছি যে ব্যথা স্বত্বেও ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়া কোন সুফল বয়ে আনবে না। অনেকক্ষেত্রে আপনি অসুস্থও হয়ে যেতে পারেন।

    আপনাকে সব সময় মনে রাখতে হবে যে খুব কঠোর পরিশ্রম বা দ্রুততার সঙ্গে ব্যায়াম করা খুব জরুরী কিছু নয়। ধীরে ধীরে উন্নতি করা আপনার রুটিন মেনে চলা এবং সুফল পেতে সাহায্য করবে। তাই তড়িহড়ি করে কোন কিছু পাওয়ার আশায় নিজের শরীরের উপর প্রেসার তৈরী না করাই শ্রেয়।

    শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করা কেন প্রয়োজন

    আপনি যদি নিজের শরীরের কন্ডিশন না বুঝেই ব্যায়াম বা শারীরিক চর্চার জন্য প্রেসার ক্রিয়েট করে থাকেন তাহলে নিজের অজান্তেই ভাল কিছু হওয়ার বদলে সেই শারীরিক ক্রিয়াকলাপের কারনে আপনার নিজের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই আপনাকে নিজের শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন।

    এতে করে নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে যেমন জানা হয়ে গেলো পাশাপাশি শরীরের কন্ডিশনের উপর ভিত্তি করে আপনি নিজেই বুধতে পারবেন ব্যায়ামের জন্য আপনি কতোটুকু ফিট রয়েছেন সেই মুহুর্তে।

    শেষকথাঃ

    আপনারা যদি আমাদের এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে মনযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে ইতিমধ্যে বুঝেই গেছেন যে ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষা করা কেন প্রয়োজন? শুধু ব্যায়াম বা শারীরিক ক্রিয়াকলাপ না সকল কাজের ক্ষেত্রেই নিজে কতোটুকু ফিট রয়েছেন সেটা জেনে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

    একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

    0 মন্তব্যসমূহ